পবিত্র কুরআন » বাংলা » সূরা আল-হাক্কাহ
বাংলা
সূরা আল-হাক্কাহ - Verses Number 52
إِنَّ رَبَّكَ هُوَ أَعْلَمُ بِمَن ضَلَّ عَن سَبِيلِهِ وَهُوَ أَعْلَمُ بِالْمُهْتَدِينَ ( 7 )
আপনার পালনকর্তা সম্যক জানেন কে তাঁর পথ থেকে বিচ্যুত হয়েছে এবং তিনি জানেন যারা সৎপথ প্রাপ্ত।
إِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِ آيَاتُنَا قَالَ أَسَاطِيرُ الْأَوَّلِينَ ( 15 )
তার কাছে আমার আয়াত পাঠ করা হলে সে বলে; সেকালের উপকথা।
إِنَّا بَلَوْنَاهُمْ كَمَا بَلَوْنَا أَصْحَابَ الْجَنَّةِ إِذْ أَقْسَمُوا لَيَصْرِمُنَّهَا مُصْبِحِينَ ( 17 )
আমি তাদেরকে পরীক্ষা করেছি, যেমন পরীক্ষা করেছি উদ্যানওয়ালাদের, যখন তারা শপথ করেছিল যে, সকালে বাগানের ফল আহরণ করবে,
فَطَافَ عَلَيْهَا طَائِفٌ مِّن رَّبِّكَ وَهُمْ نَائِمُونَ ( 19 )
অতঃপর আপনার পালনকর্তার পক্ষ থেকে বাগানে এক বিপদ এসে পতিত হলো। যখন তারা নিদ্রিত ছিল।
أَنِ اغْدُوا عَلَىٰ حَرْثِكُمْ إِن كُنتُمْ صَارِمِينَ ( 22 )
তোমরা যদি ফল আহরণ করতে চাও, তবে সকাল সকাল ক্ষেতে চল।
أَن لَّا يَدْخُلَنَّهَا الْيَوْمَ عَلَيْكُم مِّسْكِينٌ ( 24 )
অদ্য যেন কোন মিসকীন ব্যক্তি তোমাদের কাছে বাগানে প্রবেশ করতে না পারে।
فَلَمَّا رَأَوْهَا قَالُوا إِنَّا لَضَالُّونَ ( 26 )
অতঃপর যখন তারা বাগান দেখল, তখন বললঃ আমরা তো পথ ভূলে গেছি।
قَالَ أَوْسَطُهُمْ أَلَمْ أَقُل لَّكُمْ لَوْلَا تُسَبِّحُونَ ( 28 )
তাদের উত্তম ব্যক্তি বললঃ আমি কি তোমাদেরকে বলিনি? এখনও তোমরা আল্লাহ তা’আলার পবিত্রতা বর্ণনা করছো না কেন?
قَالُوا سُبْحَانَ رَبِّنَا إِنَّا كُنَّا ظَالِمِينَ ( 29 )
তারা বললঃ আমরা আমাদের পালনকর্তার পবিত্রতা ঘোষণা করছি, নিশ্চিতই আমরা সীমালংঘনকারী ছিলাম।
قَالُوا يَا وَيْلَنَا إِنَّا كُنَّا طَاغِينَ ( 31 )
তারা বললঃ হায়! দুর্ভোগ আমাদের আমরা ছিলাম সীমাতিক্রমকারী।
عَسَىٰ رَبُّنَا أَن يُبْدِلَنَا خَيْرًا مِّنْهَا إِنَّا إِلَىٰ رَبِّنَا رَاغِبُونَ ( 32 )
সম্ভবতঃ আমাদের পালনকর্তা পরিবর্তে এর চাইতে উত্তম বাগান আমাদেরকে দিবেন। আমরা আমাদের পালনকর্তার কাছে আশাবাদী।
كَذَٰلِكَ الْعَذَابُ ۖ وَلَعَذَابُ الْآخِرَةِ أَكْبَرُ ۚ لَوْ كَانُوا يَعْلَمُونَ ( 33 )
শাস্তি এভাবেই আসে এবং পরকালের শাস্তি আরও গুরুতর; যদি তারা জানত!
إِنَّ لِلْمُتَّقِينَ عِندَ رَبِّهِمْ جَنَّاتِ النَّعِيمِ ( 34 )
মোত্তাকীদের জন্যে তাদের পালনকর্তার কাছে রয়েছে নেয়ামতের জান্নাত।
أَمْ لَكُمْ أَيْمَانٌ عَلَيْنَا بَالِغَةٌ إِلَىٰ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ۙ إِنَّ لَكُمْ لَمَا تَحْكُمُونَ ( 39 )
না তোমরা আমার কাছ থেকেকেয়ামত পর্যন্ত বলবৎ কোন শপথ নিয়েছ যে, তোমরা তাই পাবে যা তোমরা সিদ্ধান্ত করবে?
أَمْ لَهُمْ شُرَكَاءُ فَلْيَأْتُوا بِشُرَكَائِهِمْ إِن كَانُوا صَادِقِينَ ( 41 )
না তাদের কোন শরীক উপাস্য আছে? থাকলে তাদের শরীক উপাস্যদেরকে উপস্থিত করুক যদি তারা সত্যবাদী হয়।
يَوْمَ يُكْشَفُ عَن سَاقٍ وَيُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ فَلَا يَسْتَطِيعُونَ ( 42 )
গোছা পর্যন্ত পা খোলার দিনের কথা স্মরণ কর, সেদিন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হবে, অতঃপর তারা সক্ষম হবে না।
خَاشِعَةً أَبْصَارُهُمْ تَرْهَقُهُمْ ذِلَّةٌ ۖ وَقَدْ كَانُوا يُدْعَوْنَ إِلَى السُّجُودِ وَهُمْ سَالِمُونَ ( 43 )
তাদের দৃষ্টি অবনত থাকবে; তারা লাঞ্ছনাগ্রস্ত হবে, অথচ যখন তারা সুস্থ ও স্বাভাবিক অবস্থায় ছিল, তখন তাদেরকে সেজদা করতে আহবান জানানো হত।
فَذَرْنِي وَمَن يُكَذِّبُ بِهَٰذَا الْحَدِيثِ ۖ سَنَسْتَدْرِجُهُم مِّنْ حَيْثُ لَا يَعْلَمُونَ ( 44 )
অতএব, যারা এই কালামকে মিথ্যা বলে, তাদেরকে আমার হাতে ছেড়ে দিন, আমি এমন ধীরে ধীরে তাদেরকে জাহান্নামের দিকে নিয়ে যাব যে, তারা জানতে পারবে না।
أَمْ تَسْأَلُهُمْ أَجْرًا فَهُم مِّن مَّغْرَمٍ مُّثْقَلُونَ ( 46 )
আপনি কি তাদের কাছে পারিশ্রমিক চান? ফলে তাদের উপর জরিমানার বোঝা পড়ছে?
أَمْ عِندَهُمُ الْغَيْبُ فَهُمْ يَكْتُبُونَ ( 47 )
না তাদের কাছে গায়বের খবর আছে? অতঃপর তারা তা লিপিবদ্ধ করে।
فَاصْبِرْ لِحُكْمِ رَبِّكَ وَلَا تَكُن كَصَاحِبِ الْحُوتِ إِذْ نَادَىٰ وَهُوَ مَكْظُومٌ ( 48 )
আপনি আপনার পালনকর্তার আদেশের অপেক্ষায় সবর করুন এবং মাছওয়ালা ইউনুসের মত হবেন না, যখন সে দুঃখাকুল মনে প্রার্থনা করেছিল।
لَّوْلَا أَن تَدَارَكَهُ نِعْمَةٌ مِّن رَّبِّهِ لَنُبِذَ بِالْعَرَاءِ وَهُوَ مَذْمُومٌ ( 49 )
যদি তার পালনকর্তার অনুগ্রহ তাকে সামাল না দিত, তবে সে নিন্দিত অবস্থায় জনশুন্য প্রান্তরে নিক্ষিপ্ত হত।
فَاجْتَبَاهُ رَبُّهُ فَجَعَلَهُ مِنَ الصَّالِحِينَ ( 50 )
অতঃপর তার পালনকর্তা তাকে মনোনীত করলেন এবং তাকে সৎকর্মীদের অন্তর্ভুক্ত করে নিলেন।
বই
- হৃদয় সম্প্রসারণ (আলেমদের মতবিরোধ নিরসন)কোনো বিষয়ে ইখতিলাফ-মতানৈক্য সৃষ্টি হলে কিতাবুল্লাহ ও সুন্নতে রাসূলের আশ্রয়ে যাওয়া প্রতিটি মুসলমানের অবশ্য কর্তব্য। বিশেষ করে দীনী মাসায়েলের ক্ষেত্রে ইখতিলাফ-মতানৈক্য হলে উলামা ও ইসলাম প্রচারকদের উচিত হবে একজনের কথাকে অন্যজনের কথার উপর প্রধান্য না দিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে কিতুল্লাহ ও সুন্নতে রাসূলের আলোকে তার যথার্থ সমাধান বের করা। বক্ষ্যমাণ বইটি এ বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই রচিত।
সংকলন : মুহাম্মদ আলী আশ শাওকানী
Source : http://www.islamhouse.com/p/221838
- রিসালাতে মুহাম্মাদী ও বর্তমান পশ্চিমা বিশ্বএ পুস্তিকায় বর্তমান পাশ্চাত্য সভ্যতার চারিত্রিক বিপর্যয়, অন্ধ বস্তুবাদ, ভোগবাদী দৃষ্টিভংগিজনিত রোগ, এবং তার প্রতিকার ও চিকিৎসায় মুহাম্মাদু রাসূল সা. এর রিসালাত কি ভূমিকা পালন করতে পারে তা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে
সংকলন : আবুল হাসান আন-নাদভী
অনুবাদক : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
Source : http://www.islamhouse.com/p/278872
- নামাজে একাগ্রতা ও খুশুনামাজে খুশুর আকার প্রকৃতি, খুশুর বিভিন্ন পর্যায়, খুশু অর্জনের নানাবিধ মাধ্যম, খুশুর গুরুত্ব ও প্রভাব ইত্যাদি বিষয়ের গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা স্থান পেয়েছে বক্ষ্যমাণ প্রবন্ধে।
সংকলন : সানাউল্লাহ নজির আহমদ
সম্পাদক : ইকবাল হোছাইন মাছুম
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
Source : http://www.islamhouse.com/p/313637
- দীনে ইসলামে বিদআত : ক্ষতি ও কুপ্রভাবএকটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ। এতে রয়েছে বিদআতের স্পষ্ট সংজ্ঞা, দীনের ক্ষেত্রে বিদআত ও অন্যান্য ক্ষেত্রে নব আবিষ্কৃত বিষেয়র মধ্যে পার্থক্য নির্ধারণ। ব্যক্তি এ সমাজ জীবনে বিদআতের ক্ষতি ও প্রভাব সম্পর্কে নাতিদীর্ঘ আলোচনা স্থান পেয়েছে বক্ষ্যমাণ গ্রন্থে।
সংকলন : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
সম্পাদক : ইকবাল হোছাইন মাছুম
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
Source : http://www.islamhouse.com/p/324730
- দুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়া : একটি পর্যালোচনাদুআ-মুনাজাতে নবী রাসূলের অসীলা দেয়ার ব্যাপারে শরীয়ত কী বলে এ ব্যাপারে যুক্তিনিষ্ঠ আলোচনায়, কুরআন-সুন্নাহর দলিলসিদ্ধ করে উপস্থাপিত হয়েছে বক্ষ্যমাণ গ্রন্থের নানা তথ্য-উপাত্ত। বইটি গুরুত্বের পড়ার জন্য পাঠক মহোদয়ের প্রতি আবেদন রইল।
সংকলন : আব্দুল্লাহ শহীদ আব্দুর রহমান
সম্পাদক : মুহাম্মদ শামসুল হক সিদ্দিক
প্রকাশনায় : ইসলাম প্রচার ব্যুরো, রাবওয়াহ, রিয়াদ
Source : http://www.islamhouse.com/p/324548












